• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে ঈদুল আযহা উপলক্ষে সড়কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিআরটিএ অভিযান পরিচালিত জামালপুরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ৫শতাধিক হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করলেন এম শুভ পাঠান দুঃখ প্রকাশ করলেন বিসিবির পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদওয়ান খানকায় চিশতিয়া দরবার শরীফের ওরস মোবারকের সমাপনী — এম শুভ গঠন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে যানজট নিরসনে কাজ করছে জামালপুরের ৩৫ বিজিবি জামালপুরে তারেক শাহ্ ওরস মোবারক উদ্বোধনী পতাকা উত্তোলন  করলেন এম শুভ পাঠান  জামালপুরে রামিসা হত্যাকারী সোহেলরানার ফাঁসির দাবিতে প্রাইম ল্যাব স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন জামালপুর পৌরবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে এম শুভ পাঠান জামালপুরে অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করল পরিবেশ অধিদপ্তর রাজিবপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন

জামালপুরে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীসহ ৬ জনের আদালতে আত্মসমর্পন

আসমাউল আসিফ ঃ
জামালপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী চাচাসহ ৬ জন আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলার রায় ঘোষণার পর রবিবার দুপুরে তারা আত্মসমর্পন করেন।
রবিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী নিহত মোমিনের চাচা আনছার আলী প্রমানিক, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপর ৫ আসামী কলম প্রমানিক, শাহীন, সাইদুল, শাইবানু, শাবজান আত্মসমর্পন করেন। পরে তাদের জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ মো: জুলফিকার আলী খাঁন। আসামী পক্ষের আইনজীবি মোকাম্মেল হক জানান, আসামীগনের অনুপস্থিতে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পায়নি, যেহেতু মামলার রায় হয়েছে তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আসামীগণ আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন। উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচারের জন্য আপিল করা হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি নির্মল কান্তি ভদ্র বলেন, মোমিন হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত সকল পলাতক আসামী আদালতে আত্মসমর্পন করেছে, আশা করছি আদালতের রায় বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জামালপুর সদরের কুমারঘাতী এলাকার রইচ উদ্দিনের বড় ছেলে মমিনের সাথে তার চাচা আনছার আলী ঝগড়া বাধে। ঝগড়ার একপর্যায়ে আনছার আলী তার ভাতিজা মমিনের মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করলে সে গুরুত্বর আহত হয়। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দুইদিন পর মমিনের মৃত্যু হয়। এঘটনার পরে নিহতের বাবা রইচ উদ্দিন তার ছোট ভাই আনছার আলীসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর হত্যাকান্ডের ১৩ বছর পর মামলায় ১১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে নিহত মমিনের চাচা আনছার আলীকে মৃত্যুদন্ড ও ৩০ হাজার টাকা এবং অপর পাঁচ আসামীকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ মো: জুলফিকার আলী খাঁন। এতদিন মামলার সকল আসামী পলাতক ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।